Artificial Intelligence বা AI কি ? আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কে কিছু তথ্য

what is artificial-intelligence or ai in bengali
what is artificial-intelligence or ai in bengali

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আবার আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম একটি নতুন পোস্ট, আজকের পোস্টে আমি আপনাদেরকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাকে বলে না নিয়ে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছি।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে বাংলাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে। এটি এক ধরনের প্রযুক্তি। আজকাল আমরা এই প্রযুক্তি সমস্ত স্মার্টফোনে গুগল ম্যাপ এবং গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো সফ্টওয়্যার আকারে ব্যবহার করছি।

এই সমগ্র মহাবিশ্বে মানুষই একমাত্র প্রাণী, যাকে ঈশ্বর মস্তিষ্ক ও দক্ষতা দিয়েছেন সঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্য। মানুষ তার বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতায় আজ কোথায় পৌঁছেছে। এই বুদ্ধিমত্তার জোরে মানুষ কম্পিউটার, ইন্টারনেট, স্মার্টফোনের মতো আরও অনেক জিনিস আবিষ্কার করেছে, যার ফলে মানুষের জীবন নতুন দিশা পেয়েছে।

প্রযুক্তির ক্ষেত্রে মানুষ এতটাই উন্নতি করেছে যে এমন যন্ত্র তৈরির কথা ভাবছে যা মানুষের মতো চিন্তা করতে পারে এবং মানুষের মতো কাজ করতে পারে। এই রকম যন্ত্র তৈরি করতে দরকার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

এখনও কিছু মানুষ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কে খুব একটা জানে না। তাই আজকে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংক্রান্ত বিশেষ তথ্য, যাতে আপনি জানতে পারেন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কী, কোথায় ব্যবহার করা হবে এবং এর সুবিধা ও অসুবিধাগুলি কী কী।

আরও পড়ুন – UPSC পরীক্ষা কি ? কারা এই পরীক্ষা দিতে পারে

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি?

সবার আগে আমরা জেনে নেব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে এআই বলা হয়। AI-এর ফুল ফর্ম হল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, যাকে বাংলাতে বলা হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এখানে কৃত্রিম মানে যা একজন ব্যক্তির তৈরি এবং বুদ্ধিমত্তা মানে চিন্তা করার শক্তি।

কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখার বিজ্ঞানীরা এমন একটি মেশিন তৈরি করছেন যা মানুষের মতো চিন্তা করতে এবং কাজ করতে পারে। এই মেশিন তৈরি করতে বিজ্ঞানীরা যে প্রযুক্তি ব্যাবহার করেছেন তাঁর নাম হল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

যখন আমরা একটি কম্পিউটারকে এমনভাবে প্রস্তুত করি যাতে এটি মানুষের মতো কাজ করতে পারে, তখন তাকে বলা হয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, অর্থাৎ যখন আমরা একটি মেশিনে এমন প্রোগ্রাম সেট করি যাতে এটি মানুষের মতো কাজ করতে পারে।

মানুষ যেমন কিছু দেখে, কিছু শুনে এবং স্পর্শ করে বুঝতে পারে সেই জিনিসের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত। ঠিক একইভাবে কম্পিউটার এর ভেতরে এক ধরনের প্রোগ্রাম তৈরি হয়, যার মাধ্যমে একটি কম্পিউটার মানুষের মতো সব কিছু বুঝতে পারে।

কিছু কম্পিউটার বিজ্ঞানি AI এর ধারনাটি বিশ্বের সামনে রেখেছিলেন, সেখানে তারা বলেছিলেন যে তারা এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত মেশিন বা এমন একটি সফ্টওয়্যার তৈরি করার পরিকল্পনা করছে যা মানুষের কাজ করতে পারে। AI কম্পিউটার বিজ্ঞানে মেশিন লার্নিং নামেও পরিচিত।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে আবিষ্কার করেন?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শব্দটি সর্বপ্রথম জন ম্যাকার্থি 1995 সালে আবিষ্কার করেছিলেন। তিনি একজন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী যিনি 1956 সালে একটি কনফারেন্সে প্রথম এই প্রযুক্তির কথা বলেছিলেন। এজন্য তাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনকও বলা হয়।

AI  বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোথায় ব্যবহার করা হয়?

এখন আমরা জানবো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোথায় ব্যবহার করা হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে বাড়ছে এবং আজ এই প্রযুক্তি অনেক রকম ব্যবসা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা হয়।

বিজ্ঞানীরা এই প্রযুক্তি তে অনেক বেশি গবেষণা করছেন যাতে এই প্রযুক্তি টী আরও উন্নত করা যায়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা অনেক বড় হিসাব ও জটিল কাজ খুব সহজেই করা যায়। আগে এই প্রযুক্তি একমাত্র বিজ্ঞানীরা ব্যাবহার করতেন। কিন্তু এখন এই প্রযুক্তি আমদের স্মার্টফোনে ব্যাবহার করা হয়।

আজ আমরা কি শিখলাম?

আজকের পোস্টে আমরা জেনেছি কৃত্রিম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কী, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে আবিস্কার করেছিলেন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোথায় ব্যবহার করা হয়, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সুবিধা সম্পর্কে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অসুবিধা সম্পর্কে।

আমি আশা করি আপনার এই পোস্টটি ভালো লেগেছে, যদি আপনি এটি পছন্দ করেন তবে আপনি অবশ্যই এই পোস্টটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন, তারাও জানতে পারবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি।